অনেক মানুষ ঘুষ না দিলে কোন কাজ করে দিতে চায় না অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বে করে দেয়। আসলে তারা যে ঘুষের টাকা নেই এইটা দ্বারা তাদের কোন উপকারে আসে না। বরং তাদের বালা-মসিবত ও অসুখ-বিসুক লেগেই থাকে। তারা যে ঘুষ খেতে অভ্যস্ত হয়, এর কয়েকটি কারন আমার ক্ষুদ্র দৃষ্টিতে পরেছে।
1. পড়াশুনার সময়ই তাদের নিয়ত থাকে চাকরি পেলে ঘুষ খেয়ে তারাতারি বড়লোক হবে।
2. ঘুষ খাওয়াকে গুনার কাজ মনে না করা।
3. অনেক ক্ষেত্রে ঘুষ খাওয়া প্রমাণিত হওয়ার পরও বিচার না হওয়া।
4. যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন না পাওয়া।
5. প্রথম দিকে ঘুষ না খেলেও, পরে অন্যদের ঘুষ খাওয়া দেখে শুরু করা।
সবাই একরকম না। অনেক দ্বীনদার ও ভালো মানুষও আছে যাদেরকে ঘুষের টাকা হাতে ধরিয়ে দিলেও ফেরত দেয় এবং ঘুষ দেওয়া যে গুনার কাজ, এইটাও বুঝিয়ে দেয়।
আল্লাহ্ আমাদের এই সামাজিক ব্যাধি থেকে মুক্ত রাখুক এবং হালাল ও সম্মাণিত রিজিক দান করুক। আমিন।
ঘুষ দেওয়া ও নেওয়া সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন।
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ خَالِهِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم “ لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي ” .
আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
“ঘুষদাতা ও ঘুষ গ্রহীতার উপর আল্লাহর অভিসম্পাত।”
[সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ২৩১৩]
আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষ দাতা ও ঘুষ গ্রহীতাকে অভিসম্পাত করেছেন।
[তিরমিযী, হাদীস নং ১৩৩৭; আবূ দাউদ, হাদীস নং ৩৫৮০]